গরমে শসার কয়েকটি উপকারী দিক ২০২২



হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা করে : শসাতে রয়েছে ফসফরাস যা আমাদের শরীরের হরমোন নিয়ন্ত্রণের মূল পুষ্টি উপাদান। শসাতে প্রায় ৪% ফসফরাস রয়েছে যা প্রাপ্ত বয়স্কদের মানুষের প্রয়োজন। ভালো ফলাফলের জন্য খাবার তালিকায় প্রতিদিন শসা রাখুন।

মানসিক চাপ কমায়: ভিটামিন বি ওয়ান, ভিটামিন বি ফাইব এবং ভিটামিন বি সেভেন শসাতে পাওয়া যায়। যা উদ্বেগ ও চাপ কমাতে সাহায্য করে।

ত্বক কোমল ও উজ্জ্বল করে শসা : শরীর ঠাণ্ডা ও আর্দ্র রাখে ও শুষ্ক ত্বক সতেজ করতে শসা সাহায্য করে। এর ভিটামিন বি-নায়াসিন, ভিটামিন C এবং জিংক ত্বকের উজ্জ্বলতা রক্ষাত্বে কাজ করে। বিউটি ক্রিমের বদলে যদি নিয়মিত আপনি শসা খান তাহলে ত্বক উজ্জ্বল করতে সহায়ক হবে।

ক. শতকরা ৯৫ শতাংশ পানিতে পূর্ণ থাকে শসা। ফলে এটি শরীর ঠান্ডা রাখে, দূর করে শরীরের বিষাক্ত উপাদান গুলি। শসাতে পানি বেশি হওয়ার কারণে আমাদের পুরো শরীর থেকে বর্জ্য বের করতে খুব আদর্শ।

খ. প্রচুর আঁশ আছে শসায় ও পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম। সবগুলোই রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। মূত্র উৎপাদন শরিরে বাড়াতেও ভূমিকা আছে শসার অনেক, যার কারণ হল পানি।

গ. শসা শরীর ঠাণ্ডা রাখে। এতে থাকা পটাশিয়াম আমাদের ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী। শরীরে সরাসরি শসার রস প্রয়োগ করি তাহলে মিলবে তরতাজা অনুভুতি

ঘ. অনেক সময় আমাদের চোখের নিচে কালো দাগ হয় এই শসা সেই চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে পারে। এজন্য শসা কেটে ফলি করে চোখের উপর আট থেকে ১০ মিনিট রেখে দিতে হবে। এতে চোখের ফোলাভাব থাকলেও কমবে।

ঙ. শসার পানি আমাদের ত্বকের রোদপোড়াভাব থেকে দূরে রাখে। শসার রসের সঙ্গে দই যদি লেবুর রস মিশিয়ে রোদপোড়া ত্বকে যদি ১০ থেকে ১৫ মিনিট মাখিয়ে রাখতে পারেন উপকার হবে।

চ.  শসার দানা হল পটাশিয়াম যুক্ত ও ভিটামিন E এর আছে অনেক। যা বয়সের ছাপ, কালো দাগ ইত্যাদি দূর করে খুব ভালোভাবে অনন্য। নিয়মিত পানির সঙ্গে যদি শসার ফালি যোগ করতে পারেন তাহলে ত্বক খুব সুস্থ থাকবে।

Post a Comment

Previous Post Next Post