সুন্দরতম কয়েকটি বাংলাদেশের পর্যটন কেন্দ্র ২য় পর্ব



এখানে যাওয়ার সময় পথের দু'পাশে লাল-সবুজ রঙের বাড়ি ও পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে জমাটবাঁধা মেঘ গুলো দেখলে অনেকটা কল্পনা জগতের মতোই মনে হবে। এছাড়া ট্রাকিং করার জন্য সাজেক বেশ উপযুক্ত জায়গা। সাজেকের ১৭২০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। রুইলুই পাড়া থেকে ট্রাকিং করে কংলাক পাহাড় ক্ষেত, সাজেক এর সর্বোচ্চ চূড়ায় যাওয়া যায়। কংলাকে যাওয়ার পথে ভ্রমণকারীরা মিজোরাম সীমান্তে বড় বড় পাহাড় ও আদিবাসীদের জীবন যাপন চারদিকে মেঘের আনাগোনা দেখতে পারে। 

এখানে বছরের নির্দিষ্ট সময়ে উপজাতিদের উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। পর্যটকরা উৎসবের সময় অনুযায়ী গেলে সেখানকার সংস্কৃতির নানা উপকরণ উপভোগ করতে পারে। সিলেট শহর থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত দেশের একমাত্র মিঠাপানির জলা বন রাতারগুল। হাটু পর্যন্ত ডুবে থাকা পানিতে নানা প্রজাতির গাছ মিলিয়ে সবুজের সমারোহ রয়েছে, আমাজন সাদৃশ্য বন রাতাগুলে। এখানকার গাছগুলো বছরের ৪ থেকে ৭ মাসই পানির নিচে ডুবে থাকে। আর বর্ষাকালে ২০ থেকে ৩০ ফুট পানির নিচে ডোবা বনের মধ্য দিয়ে নৌকা ভ্রমণ করা রোমাঞ্চকর নিঃসন্দেহে সবাইকে আকৃষ্ট করে থাকে। 

সমুদ্রের নীল পানি আর নিরিবিলি সময় কাটানোর জন্য উপযুক্ত একটি জায়গা হচ্ছে, সেন্টমার্টিন। কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের মাঝে অবস্থিত এই দ্বীপটি, বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। স্থানীয়ভাবে এটি নারিকেল জিঞ্জিরা বা দারুচিনি দ্বীপ নামে পরিচিত। এদের বেলা ভূমিতে রয়েছে প্রবাল পাথরের মেলা, সারি সারি নারিকেলের বৃক্ষ এবং দিগন্তে হারিয়ে যাওয়া সমুদ্রের নীল জলরাশি।

তবে সেন্টমার্টিনের আরেল আকর্ষণ হচ্ছে ছেড়া দ্বীপ। মূলদ্বীপের একেবারে দক্ষিনে অবস্থিত এই দ্বীপ। একসময় সেন্টমার্টিন থেকে বিচ্ছিন্ন থাকলেও এখন প্রায়ই মিলে গেছে। যা দেখতে সারাবছরই হাজার হাজার মানুষ ভিড় জমায় সেন্টমার্টিনে। 

Post a Comment

Previous Post Next Post